ব্যস্ত নাগরিক জীবনে বাড়ছে 'স্লো লিভিং' চর্চা: মানসিক প্রশান্তিতে ফিরছেন তরুণরা
ছুটন্ত কর্মব্যস্ততা, অনবরত স্ক্রিন টাইম এবং প্রতিদিনের মানসিক চাপের বিপরীতে দাঁড়িয়ে লাইফস্টাইলে জায়গা করে নিচ্ছে এক নতুন ধারা—'স্লো লিভিং' (Slow Living) বা ধীরস্থির জীবনযাপন। অতিরিক্ত কাজের চাপ আর কৃত্রিমতার ভিড়ে নিজের জন্য সময় বের করা এবং প্রকৃতির কাছাকাছি সহজ-সরল জীবনযাপনের দিকে ঝুঁকছেন তরুণ পেশাজীবী ও সচেতন নাগরিকরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি অলসতা নয়; বরং জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে সচেতনভাবে উপভোগ করার এক মনস্তাত্ত্বিক প্রয়াস। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ঘরে তৈরি খাবার প্রাধান্য দেওয়া, ছুটির দিনে ডিভাইস থেকে দূরে থেকে কিছুটা সময় বই পড়া বা প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো এবং নিজের মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়াই এই জীবনযাত্রার মূল কথা।
লাইফস্টাইল কোচ ও মনোবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত প্রতিযোগিতামূলক জীবন থেকে একটু বিরতি নিয়ে নিয়মতান্ত্রিক ও ভারসাম্যপূর্ণ রুটিনে ফিরলে দীর্ঘমেয়াদে কাজের উৎপাদনশীলতা যেমন বাড়ে, তেমনি দূর হয় মানসিক ক্লান্তি ও একঘেয়েমি।
মন্তব্য (০)
প্রথম মন্তব্যটি করুন।